
নিজস্ব প্রতিনিধি :
আওরঙ্গজেব কামালঃ বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত ফাঁসির রায় শুধু একটি আদালতের সিদ্ধান্ত নয়—এটি পুরো অঞ্চলের ভূরাজনীতি, বাংলাদেশি গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিয়ে গভীর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রায় ঘোষণা হওয়ার মুহূর্তে আদালত প্রাঙ্গণে উল্লাস দেখা গেলেও, স্বজন হারাধের উল্লাস জেনো একটি প্রতিবাদের প্রতিচ্ছবি। গুম খুন আর নির্যাতনের অধ্যায়ের জন্য পরিসমাপ্তি। এর ছায়া অনেক বড়—রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পর্যন্ত সবকিছুই এই রায়ের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন এই রায়ের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আদালত বলছে—শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ যথেষ্ট। বিশেষত ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের সময়কার “রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন” ও তার ফলাফল বিচারেই এই রায় এসেছে। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে ১৪শ জন ছাত্র জনতা হত্যা ও ৩০ হাজার ছাত্র-জনতা পঙ্গুত্ববরণ ঘটনা কোন ভাবে মেনে নেওয়া যায়না। এই রায়ের মাধ্যমে সকল রাজনৈতিক দের অবশ্যই শিক্ষা পাবে ভবিষৎতে এ ধরনের কাজ থেকে অবশ্যই বিরত থাকবে। অনেকে শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় শুনে মাটিতে শীত যায় লুটে পড়েন। এ থেকে প্রমাণিত হয় মানুষের আকাঙ্ক্ষার এই রায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে শেখ হাসিনা নিজে রায় নিয়ে যেভাবে বলেছেন, বিচার প্রক্রিয়া ছিল “পক্ষপাতদুষ্ট”, “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”, এবং তাকে প্রকৃত প্রতিরক্ষা উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়নি—তা আন্তর্জাতিক মহলেও সন্দেহ উত্থাপন করেছে। এ ক্ষেত্রে বিশিষ্টজনেরা বলছেন যখন শেখ হাসিনা জামাতের সর্বোচ্চ নেতাদের ফাঁসী দিয়েছিলেন তখন কি তারা কতটুক আইন মেনেছিল। নীর অপরাধ মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মতন একজন রাজনীতিবিদ কে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেদিন এসব কথাগুলো কোথায় ছিল। সে সময় আইনের শাসন কতটুকু প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাহলে আজ কেন এসব কথা উঠছে। বর্তমান আদালত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছে। যে টা সে দিন করা হয়নি। সেদিন ঢুকবে কেঁদে ছিল কোরআনের পাখি আল্লাহ আমাদের আরশাদ সাঈদী। তার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল প্রায় ৮৬ জন যুবক। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় হয়েছে কিন্তু কই কেউ তো তার জন্য প্রাণ দিচ্ছে না। তার তো এত ভক্ত এত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী কোথায় গেল তারা। এসব কথা আমার নয় সাধারণ জনতা যা বলছে তাই আমি বলছি। জোর করে ক্ষমতা দখল করা যায় কিন্তু বেশিক্ষণ টিকে রাখা সম্ভব নয় যেটা ইতিহাস থেকে প্রমাণিত। আর আজকের এই রায় হয়তো পৃথিবীর আরেকটি ইতিহাস হিসেবে সাক্ষী হয়ে থাকবে। আমার মতে একটি রায় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পারে তখনই, যখন—বিচারব্যবস্থা নিরপেক্ষ হয়। কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকে না। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। সকল নাগরিকের সমান অধিকার থাকে। এখন প্রশ্ন এই রায়ে সেটা কতটুকু পরিলক্ষিত হয়েছে সেটা এখন দেখার বিষয়। যদি বিচারব্যবস্থা জনগণের আস্থার বাইরে থেকে পরিচালিত হয়, তাহলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না—বরং ভেঙে যায়। আবার, অপরাধ ও দায়বদ্ধতার বিষয়ে রাষ্ট্র যদি সত্যিই কঠোর অবস্থান নেয়, তবে সেটি গণতন্ত্রেরই অংশ হিসাকে বাস্তব রুপ নেয়।এখন প্রশ্ন হলো এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোন অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে? এ সরকার কি পাবে রায়কে বাস্তবে রুপ দিতে। আমি দেখেছি ভারত বিচার নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে। তারা বলছে—এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং তারা শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে। এটি বোঝায়—ভারত নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিজ অবস্থান তৈরি করছে। কিন্ত ফরাসি সংবাদমাধ্যম বলছে, “in absentia” বিচার গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার জন্য উদ্বেগজনক। ইউরোপে প্রশ্ন—এই বিচার কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উপায় কিনা। এদিকে ২০২৪ সালের আন্দোলনে ১,৪০০-এর বেশি মৃত্যুর অভিযোগ জাতিসংঘ আগেই তুলেছিল। কিন্তু তারা এখন বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে মন্তব্য করছে। সে যায় হোক বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, রাজনীতিতে বিভাজনই বেশি দৃশ্যমান। গণতন্ত্র তখনই পরিপূর্ণ হয় যখন রাষ্ট্র তার প্রতিপক্ষকেও অধিকার দেয়, মর্যাদা দেয়, নিরাপত্তা দেয়। যদি প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত হয়, এবং সকল অপরাধ সমভাবে বিচার হয়—তাহলে রায় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পারে। অনেকে মনে করছেন এই রায় পরিপূর্ণ হয়েছে। একপক্ষ ক্ষমতায় আসলে অন্যপক্ষকে নির্মূল করা—এমন সংস্কৃতি দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রকে দুর্বল করে। যেটা বিগত ১৫ বছর দেশে চলেছে। তবে এই রায় বাংলাদেশে আশঙ্কা রয়েছে সেই পরিবেশকে বাড়িয়ে দিতে পারে। রায়ের কারণে অর্থনীতি, কূটনীতি এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপর চাপ বাড়তে পারে। যদি প্রতিবেশী দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নিন্দা জানাতে শুরু করে, তাহলে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও তীব্র হবে। অনেকে মনে করছেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখন এক সন্ধিক্ষণে। শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় এই সন্ধিক্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। আবার একটি পক্ষ বলছে এই রায়ের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে।এই রায় কেবল বোধগম্য বিচার না, বরং গণতান্ত্রিক শাসন ও প্রশাসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর প্রশ্ন । এ ক্ষেত্রে অনেকে বলছে যেমন কর্ম তেমন ফল। এই আদালতে জামাতের ও বিএনপির সর্বশ্চ নেতাদের ফাঁসির রায় দিয়ে ফাঁসি কর্যকর করেছে। আজ সেই আদালতে শেখ হাসিনার ফাঁসীর রায় হলো একই মামলায়। হয়তো এই রায়ে জুলাই শহীদদের পরিবার সুবিচার পেয়েছে। তবে দেশে যে বিশ্শৃঙ্খলা চলছে তাতে দেশের জনসাধারনের জানমাল হুমকীর মুখে পড়েছে। আদালত ICT-BD (বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর জামায়াত-উপস্থিত প্রতিবাদ এবং জুলাই-অগাস্ট ২০২৪ সালে ছাত্রবিক্ষোভের সময় দায়ের করা “মানবতাবিরোধী অপরাধ” অভিযোগের ভিত্তিতে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। রায়ের ঘোষণা করেই আদালতের কক্ষে কিছু মানুষ প্রশংসা ও আমেজ প্রকাশ করেছেন — ক্ল্যাপ, স্বস্তি, এবং চিয়ার দেখা গেছে। ICT-BD এর প্রধান প্রসিকিউটার মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, এটি দেখায় যে বাংলাদেশ “আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ড বজায় রেখে বিচার দিতে সক্ষম”। এদিকে রায়ের পর, কিছু বিশ্ববিদ্যালয় (যেমন জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি)–এর ছাত্ররা প্রতিক্রিয়ায় মিষ্টি বিতরণ করেছে এবং প্রতীকী effigy (প্রতিমা) ঝুলিয়ে সমর্থন বা সাড়া দিয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে রায়কে “ন্যায্য বিচার” হিসেবে দেখার প্রচেষ্টা রয়েছে, যারা বলছেন এটি অত্যাচার বা অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে একটা শক্তিশালী প্রতিশোধ। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MEA) বলেছে, “আমরা রায়টি নজরদারি করছি। ভারত সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে конструкটিভভাবে যুক্ত থাকবে, এবং শান্তি, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে কাজ করবে। মৌলিক সরকার ও আইনজীবী মহলের কিছু বিশ্লেষক: বিচার প্রক্রিয়া ও ICT-BD-এর স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। বিশেষ করে অংশগ্রহণ না করা বিচার, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও প্রশাসনের মধ্যস্থতা এমন বিষয় যা গণতন্ত্রের মানদণ্ডের দৃষ্টিকোণ থেকে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। অনেকে বলছেন, “গণতন্ত্র কেবল ভোট নয় — সেটা বিচারব্যবস্থা, অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সংস্থাগুলোর স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করে”। এই রায়ের প্রেক্ষিতে অনেকেই প্রশ্ন করছেন যে, এমন কি “গণতন্ত্র” আদৌ এখানে পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারে যখন শীর্ষ নেতাকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হচ্ছে একটি ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে যার ইলেকটোরাল বা জনপ্রতিনিধি ভিত্তি নেই। রায় যদি সত্যিই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অতিক্রম না করে হয়ে থাকে এবং প্রমাণ-প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও পরিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি বিচারপ্রতিষ্ঠার শক্তি ও আইনী শাসনকে প্রমাণ করতে পারে। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখরে কিন্তু এই রায়কে অনেকেই দেখছেন রাজনৈতিক আয়োজনে এটি একটি “নীতিগত ব্যবধান” তৈরি করতে পারে, বিশেষত আওয়ামী লীগ ও তার সমর্থকদের উপর। এটি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গণতান্ত্রিক শক্তি ভারসাম্যকে বদলাতে পারে। তবে গণতান্ত্রিক বিশ্বাসের দৃষ্টিকোণ থেকে যদি জনগণ অনুভব করে যে বিচারব্যবস্থা রাজনৈতিক ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাহলে গণতন্ত্রে বিশ্বাস ক্ষুণ্ন হতে পারে। গণতন্ত্র কেবল আইনভিত্তিক বিচার নয়, বরং তার সঙ্গে নির্বাচনী সুযোগ, বিবাদ নিষ্পত্তি, বাকস্বাধীনতা এবং নাগরিক অংশগ্রহণও জড়িয়ে থাকে। যারা রায়ের বিরোধিতাকারী, তারা বলছেন এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ; অন্যরা বলছেন, এটি একটি “তথ্য অনুসন্ধান” আইনি প্রক্রিয়া যা অতীত অত্যাচার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি ঠিকঠাক করাতে পারে। শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃষ্টিকোণ থেকে একটি দ্বিমাত্রিক ঘটনা। একদিকে, এটি আইনি শাসনের শক্তি প্রদর্শন করতে পারে — “কেউ আইন থেকে উপরে নয়” — এবং বিচারপ্রতিষ্ঠার সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারে। আইন সকলের জন্য সমান। আই এই রায়ের মাধ্যমে সেটা প্রমানিত হয়েছে। অন্যদিকে, যদি এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা প্রতিশোধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে এটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা ও রাজনৈতিক আত্ম-স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।এই রায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে এমটি আবার বলেচেন অনেকে। এটা নির্বাচন-পরবর্তী দৃষ্টিভঙ্গা নির্ধারণ করতে পারে,রাজনৈতিক শক্তি ভারসাম্য পরিবর্তন করতে পারে,এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে গণতন্ত্রে স্বচ্ছতা, বিশ্বাস ও অংশগ্রহণ বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। ইউরোপীয় দৃষ্টিকোণ থেকে, রায়কে আইনগত বিচার এবং রাজনৈতিক কম্পাস উভয় দৃষ্টিভঙ্গায় দেখা হচ্ছে। যেমন, এটি আইনি প্রক্রিয়ার শক্তি প্রদর্শন করতে পারে, কিন্তু একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ক্ষমতাবিন্যাসে প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে—যা গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টি (বিএনপি) এর একজন শীর্ষ নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ রায়কে “ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা” হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, “যতই ক্ষমতাশালী এক ব্যক্তিত্ব কেন না হোক, একদিন তাকে আইনের সামনে দাঁড়াতে হবে। তবে জামাতের আমির বলেছেন, আইন সকলের জন্য সমান। ICT-BD-এর প্রধান প্রসিকিউটার মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, এই রায় “দেশের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে যে তারা আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ড বজায় রেখে বিচার দিতে সক্ষম” — এটি বিচারপ্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অপর দিকে, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (NCP) এর অন্যতম সমন্বয়কারী নাহিদ ইসলাম বলছেন, “শান্তি আসবে কেবল তখনই যখন রায় বাস্তবায়ন হবে” — অর্থাৎ, প্রয়োগ না হলে রায় গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা আনতে পারবে না। সব কথার এক কথা আমাদের মনে রাখতে হবে যে যেমন করবে সে তেমন ফল ভোগ করবে। তাই আমি মনে করি রাজনীতি হবে শুধু জনগণের জন্য । বিচার হবে নিরেপেক্ষ। কথাবলার অধিকার সকলের থাবে তবেই হবে স্বাধীন বাংলাদেশের বাস্তব রুপ। আসুন প্রতিহিংসা নয় স্বচ্ছ ধারার রাজনীতীর মাধ্যমে বাংলাদেশে গনতন্ত্র পূর্ণজীবীত করি।
লেখক ও গবেষকঃ
আওরঙ্গজেব কামাল
সভাপতি
আন্তর্জাতিক প্রেস ক্লাব
ও ঢাকা প্রেস ক্লাব

