
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জ্বালাময়ী আহ্বান “না মানে না” এখন ছড়িয়ে পড়েছে দেশের কোণে কোণে। গণতন্ত্রপন্থী মানুষের ফেসবুক, টুইটার ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আজ রক্তলাল প্রতিবাদের রঙে রঞ্জিত। “না মানে না”—এই একটি বাক্যই পরিণত হয়েছে জাতীয় প্রতিরোধের প্রতীকে।
তারেক রহমান এক তীব্র প্রতিবাদী বার্তায় বলেন,
“যে তথাকথিত ‘ঐকমত্য কমিশন’ ঐক্যের গান গেয়ে ৯ মাস ধরে জাতিকে বিভ্রান্তির জালে ফেলে রেখেছিল, আজ তারাই অনৈক্যের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছে পুরো জাতির মাঝে। তাদের এই গণভোট কোনো গণভোট নয়—এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা, জনগণের সঙ্গে প্রহসন, আর গণতন্ত্রের উপর সরাসরি আঘাত!”
তিনি আরও বলেন,
“আমার অবস্থান স্পষ্ট, আমার প্রতিবাদ অটল—না মানে না, প্রহসনের গণভোট মানি না! সত্যের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতেই আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”
এই বার্তা প্রকাশের পরই দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। রাতারাতি ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রামসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে “না মানে না” শিরোনামের পোস্ট, কভার ফটো ও লাল ব্যানারে ভরে যায় পুরো ডিজিটাল বাংলাদেশ। তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এই স্লোগানকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমানের এই বার্তা কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং জাতীয় নির্বাচনের আগে জনমত গঠনের নতুন মোড় তৈরি করেছে। বিএনপি নেতৃবৃন্দও বলছেন, “এই আহ্বানই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নতুন গতি এনে দিয়েছে।”
বিএনপি’র নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এই সন্ধিক্ষণে জনগণের এই জাগরণই প্রমাণ করছে—দেশবাসী কোনো প্রহসনের গণভোট মেনে নেবে না।
দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর ও প্রবাসী শাখাগুলো ইতোমধ্যেই “না মানে না” আন্দোলনকে জনআন্দোলনের রূপ দিতে মাঠে নেমেছে

