
মোঃ জিমু-গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধায় কর্মরত সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি, মাদকসেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে কয়েকজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও নাট্যকর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও সামনে এসেছে।
অভিযোগ রয়েছে, গাইবান্ধায় চাকরিরত অবস্থায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কয়েকজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, নাট্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে পলাশবাড়ীর একটি ভাড়া বাসায় মদ্যপানসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলত বলে স্থানীয়দের দাবি।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি একপর্যায়ে এলাকাবাসীর নজরে এলে গভীর রাতে অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ আরও আছে, “কন্টেন্ট ক্রিয়েটর” পরিচয়ের আড়ালে কেউ কেউ এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, যা সামাজিক অবক্ষয়কে আরও উসকে দিচ্ছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো—
যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি শুধু ব্যক্তিগত অনৈতিকতার বিষয় নয়; বরং আইন-শৃঙ্খলা, সামাজিক মূল্যবোধ ও জনআস্থার ওপর সরাসরি আঘাত।
গাইবান্ধাবাসির দাবি স্পষ্ট:
👉 পুরো ঘটনাটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করতে হবে।
👉 অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
👉 কোনোভাবেই প্রভাব, ক্ষমতা বা টাকার জোরে এমন ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া যাবে না।
গাইবান্ধার মানুষ জানতে চায়—
আসল ঘটনা কী? কারা জড়িত? কেন এখনো কার্যকর তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই?
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

