
নিজস্ব প্রতিনিধি :
ডিসি মাসুদের নেওয়া কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে জনতা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিসি মাসুদের নেওয়া সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে সাধারণ মানুষ। জনতার একটাই দাবি—নিরাপদ সমাজ, নিরাপদ রাত। সেই প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা আশার আলো দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সংশ্লিষ্টদের মতে, নীরব রাতের আঁধারে যে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, গুম ও খুনের মতো অপরাধগুলো সংঘটিত হচ্ছে, সেগুলো কোনো বাইরের দেশ থেকে আসা লোকজন করছে না। বাস্তবতা হলো, আমাদের সমাজের ভেতরেই গড়ে ওঠা কিছু বিপথগামী মানুষ—যাদের একটি বড় অংশ তথাকথিত “ছাত্র” পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে আছে—এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। মাদক ও নানা ধরনের নেশার সাথেও তাদের গভীর সম্পৃক্ততার কথা উঠে আসছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পুলিশ যখন আইন অনুযায়ী এসব অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যায়, তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নিলে আন্দোলনের নামে রাস্তায় নামে একাংশের ছাত্র, যা অনেক সময় অপরাধীদের রক্ষার ঢাল হিসেবে কাজ করে। এদিকে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে নেশাদ্রব্যের অবাধ বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে, যদিও দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।
সচেতন নাগরিকদের বক্তব্য, যারা সত্যিই মা–বাবার কষ্ট ও পরিবারের সম্মানের কথা ভাবে, তারা কখনো অশান্তি ও বিশৃঙ্খলার পথে যায় না। আর যারা শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়, তারা রাস্তায় নেমে আন্দোলন নয়—ক্লাস, লাইব্রেরি ও গবেষণায় নিজেদের সময় ব্যয় করে। শিক্ষা মানে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতা—অপরাধের পক্ষে দাঁড়ানো নয়।
এমন প্রেক্ষাপটে ডিসি মাসুদের নেওয়া কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে জনতা। তাদের প্রত্যাশা, অপরাধীর পরিচয় যাই হোক—ছাত্র, নেতা কিংবা প্রভাবশালী—কেউ যেন আইনের ঊর্ধ্বে না থাকে। নেশা ও অপরাধমুক্ত ক্যাম্পাস এবং নিরাপদ রাত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে—এমনটাই চায় সাধারণ মানুষ।

