
ছাবিনা ইয়াসমিন :
বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ থানার চক পঞ্চকরন গ্রামের মোঃ জামান মৃধা ছেলে রুবেল মৃধা। একজন গার্মেন্টস শ্রম হওয়ার সুবাদিতে বিভিন্ন গার্মেন্টস শ্রমিক মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে।
তেমনি বিয়ে করেছিল এক অসহায় ডিভোর্সি নারী, বগুড়া জেলার শেরপুর থানার মোজহার আলীর মেয়ে মোছাঃ রহিমা খাতুনকে বিয়ে করে চার বছর সংসার করে ছয় মাসের অন্তরসত্তা হওয়ার পর বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে চার লক্ষ টাকা নিয়ে রহিমাকে একা ফেলে পালিয়ে যায়।
রহিমা খাতুন তার স্বামীর বাড়ি খোঁজ নিয়ে জানতে পারে। এর আগেও সে আরো চারটা বিয়ে করেছে, প্রতিটি স্ত্রীর কাছ থেকে নগদ অর্থ এবং ঋণ করে সে পালিয়ে আসে।
রহিমা খাতুন যখন তার শশুরের কাছে ফোন দিয়ে জানতে চাইলো রুবেল কোথায় তখন তার শশুর মোঃ জামান মৃধা রহিমা খাতুন কে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলে আর একবার আমার ছেলের কথা জানতে চাইলে তোকে মেরে ফেলবো। জামাল মৃধা আরো বলেন তোর কাছে আমার ছেলে ছিল তুই খুঁজে দিবি।
দিশেহারা হয়ে রহিমা খাতুন তার স্বামীর বাড়ির আত্মীয়স্বজনের কাছে খোঁজ নিয়ে জানতে পায় তার স্বামী রুবেল মৃধা তার নিজ বাড়িতে আছে। স্বজনরা আরো জানায়। এই ধরনের অপরাধ সে প্রতিনিয়তই করে আসছে। স্বজনরে আরো জানায়,অপরাধ করে আসার পরে সার্বিক সহযোগিতা করে রুবেলের বাবা-মা ও ভাই।
এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত রয়েছে তার বাবা-মা ও ভাই। তাদের সহযোগিতায় এই কাজগুলো করে আসতে দীর্ঘদিন যাবত।

