
স্টাফ রিপোর্টার ,
বামনা উপজেলার ৪ নং ডৌয়াতলা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান রাশেদ খাঁন মামুন সাহেবের কথাই বলছিলাম। তিনি ডৌয়াতলার ঐতিহ্যবাহী পরিবার খাঁন বংশের ছেলে। তার রাজনৈতিক জীবন শুরুটাই বিএনপি থেকে, তিনি ডৌয়াতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহব্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ সময় ধরে।
তিনি ডৌয়াতলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সকল নেতাকর্মী সহ সাধারন জনগণের সাথে সুখে দুঃখে সব সময় তাদের পাশে ছিলেন। তিনি তার নিজস্ব অর্থায়নে অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির সহ সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি ব্যাপক অবদান রেখেছেন।
তিনি ডৌয়াতলা ইউনিয়নের যুব সমাজের আইকন হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ডৌয়াতলা ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত রাখতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি যুব সমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহ প্রদান করে আসছেন। তিনি এলাকার বিরোধ শালিসী ব্যাবস্থার মাধ্যমে সমাধান দিয়ে এসেছেন যাহাতে মানুষ থানা এবং কোর্ট এ গিয়ে ভোগান্তি না পোহাতে হয়। এক কথায় তিনি ডৌয়াতলা ইউনিয়ন এর সকল শ্রেনী পেশার মানুষের হৃদয়ের মনি কোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন। ডৌয়াতলা ইউনিয়ন এর মানুষের মুখে একটাই বুলি বসন্তের কোকিল আমরা চাই না। সুখে দুঃখে যাকে পাই সে আমাদের মামুন ভাই। ডৌয়াতলা ইউনিয়ন এর সকল শ্রেনীর মানুষের চাওয়া মামুন ভাইকে তারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায়।

