
“ সংগঠনকে গতিশীল করতে যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত যুবদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এস এম মিল্টন সরকার “
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠনের কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় সংগঠনজুড়ে নতুন করে প্রত্যাশা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ত্যাগী, সংগ্রামী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে মূল্যায়নের দাবি জোরালো হচ্ছে দেশ ও প্রবাস—উভয় ক্ষেত্রেই। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সংগঠনের অবস্থান সুদৃঢ় করতে সক্ষম নেতাদের পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনার বিষয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এস এম মিল্টন সরকারের নাম বারবার উচ্চারিত হচ্ছে। বহির্বিশ্বে আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা ইতোমধ্যেই নেতাকর্মীদের কাছে সুপরিচিত। প্রবাসে অবস্থান করেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে সংগঠিত করা, আন্তর্জাতিক মহলে জনমত গঠন, এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে সমর্থন আদায়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
দলের দুঃসময়ে যেসব নেতা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে গেছেন, এস এম মিল্টন সরকার তাঁদের অন্যতম। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, যোগাযোগ সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গ্রহণযোগ্যতা যুবদলকে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিতে সহায়ক হয়েছে। প্রবাসী যুবনেতাদের সঙ্গে সুদৃঢ় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন দেশে আন্দোলন-সংগ্রামকে গতিশীল রাখা তাঁর নেতৃত্বের একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক রাজনীতি, কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং প্রবাসী কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ততা—সবকিছু মিলিয়ে এই পদে একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং গ্রহণযোগ্য নেতার বিকল্প নেই। এই দৃষ্টিকোণ থেকে এস এম মিল্টন সরকারকে পুনরায় এই পদে দেখতে চান দেশ-বিদেশের অসংখ্য যুবনেতা ও কর্মী।
তাঁদের মতে, সংগঠনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং পূর্বের অর্জনগুলোকে আরও এগিয়ে নিতে হলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতেও তাঁর মতো নেতৃত্ব অপরিহার্য।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের আগামী দিনের পথচলায় একটি গতিশীল, শক্তিশালী এবং আন্তর্জাতিকভাবে সক্রিয় কমিটি গঠনের প্রত্যাশা সকলের। আর সেই প্রত্যাশার কেন্দ্রে রয়েছেন এস এম মিল্টন সরকার—একজন পরীক্ষিত, সংগ্রামী এবং জনপ্রিয় তরুণ নেতা, যিনি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সংগঠনকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে মনে করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

