
সৌভিক পোদ্দার, ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার প্রেমিককে মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়ার পর স্কুল ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ হয়ে ধর্ষণের মামলার আরেক আসামী নয়ন কে গ্রেফতার করেছে মহেশপুর থানা পুলিশ।
বুধবার দুপুরে জীবননগর উপজেলার বাকা গ্রামে পালিয়ে থাকা নয়নকে তার নানা বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
আটককৃত নয়ন উপজেলার কাজিরবের ইউপির বাগদির আইট গ্রামের দিনু মিয়ার ছেলে। নয়ন ধর্ষণ মামলার ২ (দুই)নম্বর আসামি।
জানা যায়, গত (২৬ মার্চ) উপজেলার কাজিরবেড় ইউনিয়নের বাগদিয়ার আইট গ্রামের ১০ম (দশম) শ্রেণি পড়ুয়া ১ (এক) স্কুলছাত্রী ঘটনার দিন রাতে বাড়ির পাশের রাস্তার উপর প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে আসামিরা প্রেমিককে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়ে তাকে মুখ চেপে ধরে পাশ্ববর্তী মাঠের ঘাসখেতের ভিতরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ঘটনা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন।
পরের দিন ভুক্তভোগীর ফুফু ফাতেমা খাতুন বাদী হয়ে ৪ (চার) জনকে আসামি করে মহেশপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে প্রধান অভিযুক্ত হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার বাকি আসামিরা হলেন, বাগদিয়ার আইট গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে শাওন, ওই গ্রামের দিনু মিয়ার ছেলে নয়ন ও ফরিদ মিয়ার ছেলে আমিন।
মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হওয়ার পরপরই রাতে অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত হযরত আলীকে আটক করেছি। বাকি আসামিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত থাকে। গোপন সংবাদের ভিক্তিতে জানতে পারি ধর্ষণ মামলার আরেক আসামি নয়ন জীবননগর উপজেলার বাকা গ্রামে তার নানা বাড়িতে পালিয়ে রয়েছে। জীবননগর থানা পুলিশের সহায়তায় সেখান থেকে আজ বুধবার দুপুরে নয়নকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাকি আসামিদেরও আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

