
সুমন খান :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন দক্ষিণ কাফরুল, শেওড়াপাড়া ও সংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির-সংলগ্ন এলাকায় উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকার অঙ্গীকার,পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রার্থী মিল্টন বলেন,নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব।
মন্দির-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য
গণসংযোগে উপস্থিত শ্রী প্রফুল্ল কুমার রায়, আহ্বায়ক, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, ঢাকা-১৫ বলেন,আমরা চাই এলাকার সার্বিক উন্নয়ন হোক। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।শ্রী সুকদেব বড়াল, সদস্য সচিব, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, ঢাকা-১৫ বলেন,প্রার্থীরা আমাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। আমরা সকল প্রার্থীর কাছেই সমানভাবে উন্নয়ন ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাই।ডা. বিপ্লব বিজয়ী হালদার, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কেন্দ্রীয় মন্দির ঢাকা মহানগর উত্তর বলেন,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে-ই নির্বাচিত হোন না কেন, আমরা চাই তিনি সব সম্প্রদায়ের মানুষের আস্থা অর্জন করবেন।
মহানগর সার্বজনীন পূজা ফ্রন্টের সহ-সভাপতি শ্রী নিথীশ কুমার সাহা বলেন,
“আমাদের দাবি একটাই,উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সমান অধিকার। নির্বাচনকে ঘিরে যেন কোনো উত্তেজনা বা বিভাজন না তৈরি হয়।এলাকায় প্রচারণা ও জনসম্পৃক্ততা ,দক্ষিণ কাফরুল থেকে শেওড়াপাড়া পর্যন্ত বিভিন্ন অলিগলি, বাজার ও পাড়া-মহল্লায় লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ কার্যক্রম চালানো হয়। কাফরুল থানা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে অন্যান্য দলীয় প্রার্থীরাও এলাকায় প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।
আচরণবিধি ও পর্যবেক্ষণ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান-সংলগ্ন প্রচারণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুসরণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, সব প্রার্থীরই উচিত নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা।

