
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
দৈনিক জন জাগরন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সংক্রান্তে প্রতিবাদ ১৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের দৈনিক জন জাগরন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম: “পলওয়েল কারনেশন মার্কেটে দুর্নীতির সম্রাজ্য বানিয়েছেন কে এই কবির হোসেন খান”। পত্রিকার বর্ণনা পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে যে, ঘুষ, অনৈতিক সুবিধা, গোল্ড ব্যবসায়িদের নিকট হতে গোল্ড বাকিতে নেওয়া, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দোকান ভাড়া দেওয়া, ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের হুমকি ও হয়রানি করা, দোকান মালিকদের নিরুৎসাহী করে দোকান বিক্রির দালালি খাওয়া, বিলবোর্ড ভাড়া সংক্রান্তে টাকা দাবি, পুলিশ কনস্টেবল ও কিশোর গ্যাং এর মাধ্যমে হুমকী প্রদান, মামলা দিয়ে জেল খাটানোর ভয় দেখানোসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে আপনার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত করা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদগুলো পুরোপুরি মিথ্যা, বানোয়াট এবং পুলিশ কনস্টেবলসহ আমার সম্মান হেয় প্রতিপন্ন করার সামিল। প্রকৃত পক্ষে পলওয়েল, সমবায় সমিতি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পুলিশের একটি প্রতিষ্ঠান। কারনেশন এর ভাড়া থেকে আরম্ভ করে সকল প্রকার প্রশাসনিক কার্যক্রম গঠিত কমিটির মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়। এরূপ বিভিন্ন গঠিত কমিটির সর্বনিম্ন পদমর্যাদা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। মাননীয় আইজিপি মহোদয় অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সার্বক্ষনিক পলওয়েল ও পলওয়েল কারনেশনের সকল কার্যক্রম মনিটরিং করে থাকেন। দোকান ভাড়া, বেচা-কেনা, ভাড়াসহ অন্যান্য চার্জ উত্তোলন এর জন্য একজন ম্যানেজার নিযুক্ত আছেন। তার অধীনে আরো অনেক স্টাফ নিয়োজিত আছেন। তাদের দক্ষতা অনুযায়ী প্রত্যেকেরই পৃথক পৃথক কাজ ভাগ করা আছে। আমার বা কোন পুলিশ সদস্যেদের ভাড়া, বেচা-কেনা, ভাড়াসহ অন্যান্য চার্জ উত্তোলন এর কাজ নয়। বর্তমানে যে সকল পুলিশ সদস্য এখানে কর্মরত আছেন তারা প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে কাজ পরিচালনার জন্য নির্দেশিত হয়ে কাজকর্ম করে থাকেন। তাছাড়া এর সকল কার্যক্রমের জন্য পলওয়েলের নিবন্ধিত সদস্যদের নিকট তারা দায়বদ্ধ আছেন। দৈনিক জন জাগরন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সংক্রান্তে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মোঃ কবির হোসেন খান
পুলিশ পরিদর্শক, পলওয়েল, ঢাকা।

