
জুলফিকার আলী জুয়েল :
গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় আবাসিক ফ্ল্যাটে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। কাঁচাবাজারের পেছনে এমএম গার্মেন্টস ও মুকুল নীটওয়্যারের মাঝামাঝি অবস্থিত আকুরা নামে সাততলা ভবনের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে বুধবার সন্ধ্যায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ জানায়, ভবনের পশ্চিম পাশের ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন আটক এড়ানো প্রধান আসামি শাহিন মিয়া। তিনি সম্প্রতি স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে সেখানে ওঠেন। তবে পরিবারের আড়ালে ফ্ল্যাটটিকে ব্যবহার করছিলেন মাদক লেনদেনের নিরাপদ স্থান হিসেবে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তারা জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে এসআই তাইম, এএসআই স্বপন, এএসআই রেজাউল এবং সঙ্গীয় কনস্টেবল আবুল কালাম আজাদ সমন্বয়ে একটি টিম ফ্ল্যাটটিতে হঠাৎ অভিযান চালায়। ড্রয়িংরুমে স্থাপিত কাপবোর্ডের পেছনে ফ্রিজের কার্টনের ভাঁজে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা ছিল ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। একই স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ১০ হাজার টাকা।
অভিযানের সময় শাহিন মিয়া পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তবে ঘটনার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। বাড়ির কেয়ারটেকার তাজ্জত মিয়া এবং পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া আজাদ সাহেবকে উপস্থিত রেখে উদ্ধারকৃত মালামাল জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয় এবং বিধি মোতাবেক হেফাজতে নেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন ধরে ফ্ল্যাটটিতে অপরিচিত লোকের আনাগোনা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। তবে পরিবার থাকার কারণে বিষয়টি অনেকেই গুরুত্ব দেননি।
পলাতক শাহিন মিয়া ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

