
নিজস্ব প্রতিনিধি :
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভিন হক বলেছেন, গৃহকর্মীদের মজুরি ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরি। আগামীতে যারা সরকার গঠন করবেন, তাদের কর্মপরিকল্পনায় ন্যায়পাল নিয়োগ এবং গৃহকর্মী সুরক্ষায় আইনি কাঠামো তৈরিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে গৃহকর্মীদের অধিকার নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা হয়নি, যদিও বলা উচিত ছিল। গৃহকর্মীদের বেতন কাঠামো নিয়েও কোনো সুস্পষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। তবে তাদের নিবন্ধনের আওতায় আনা হলে সামাজিক স্বীকৃতি ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় তা সহায়ক হবে।
আজ ঢাকার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)-তে গৃহকর্মীদের অধিকার সুরক্ষা নিয়ে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ ও ‘গণসাক্ষরতা অভিযান’-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ছায়া সংসদে তিনি এসব কথা বলেন।
‘আইন করে নয়, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই গৃহকর্মীর অধিকার সুরক্ষা করতে পারে’-এই শিরোনামে ছায়া সংসদের আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি ও গণসাক্ষরতা অভিযান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
ছায়া সংসদে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে বিজয়ী হয় হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের বিতার্কিক দল।
হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, “আগামী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলো যদি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠী বিশেষ করে গৃহকর্মীদের বেতন-ভাতা, ছুটি, বোনাসসহ অন্যান্য অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে তাদের প্রতি জনগণের আস্থা ও সমর্থন বাড়বে।”
অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতা করেন নেটস বাংলাদেশ ও এডুকেশন আউট লাউড।
সূত্র : বাসস…

