
স্টাফ রিপোর্টার :
ঝিনাইদহের গ্রাম ও শহরের সকল বাজারজুড়ে জামিল টোব্যাকোর অবৈধ ৫ টাকার ফিফটি, ফিফটি নকল সিগারেট ছয়লাব। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে মুদিখানা সব জায়গায় হাত বাড়ালেই মিলছে এসব কমদামি মানহীন সিগারেট।
আর এ সকল সিগারেট সরাসরি ঝিনাইদহের ৬ উপজেলায় ডিলারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে একটি শক্তিশালী চক্র। আর এই ফিফটি ফিফটি সিগারেটের ডিপো গড়ে তুলেছে যশোরের ডালিম মিয়া নামের এক প্রভাবশালী ব্যাক্তি। মূলত খুলনা বিভাগের পুরো অবৈধভাবে উৎপাদিত জামিল টোব্যাকো ফিফটি ও দেশব্লাক সিগারেট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন এই ডালিম মিয়া। যশোর ডিপো থেকে এসব সিগারেট ঝিনাইদহের ডিলারদের নিকট গাড়িতে পৌঁছে দেন। অনুসন্ধানে জানা যায় ঝিনাইদহের বাজার জুড়ে এসব সিগারেট বিক্রির ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন,শহরের আরাপপুর এলাকার আতিয়ার মিয়া। তার নেতৃত্বে ঝিনাইদহের প্রতিটা গ্রাম ও শহরের বাজারে ছড়িয়ে যাচ্ছে এসব নকল সিগারেট। এছাড়া কালীগঞ্জ,কোটচাঁদপুর, শৈলকূপা, হরিনাকুন্ডু এলাকায় রয়েছে নকল সিগারেট বিক্রির বিশাল সিন্ডিকেট। প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব অবৈধ সিগারেট বিক্রি হলেও তাদের নেই কোন মাথাব্যথা।
অবৈধ ফিফটি ফিফটি সিগারেটের বিষয়ে ঝিনাইদহ কাস্টমস ও ভ্যাট অফিস একেবারে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। এর আ ডিলার আতিয়ার রহমানের নিকট নকল সিগারেট গোডাউনে অভিযান দেয়। সেখানে সিগারেট পাওয়া পরেও মোটা টাকায় গোপনে রফাদফা করার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া প্রতিমাসে ডিলারদের নিকট থেকে মাসহারা চুক্তিতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অথচ অবৈধ সিগারেট ও নকল ব্যান্ডরোল ব্যাবহারের কারণে সরকার হারাচ্ছে প্রতিমাসে কোটি, কোটি টাকার রাজস্ব। স্থানীয়রা জানান, প্রশাসন এ ব্যাপারে শক্ত পদক্ষেপ না নিলে বাজারে নকল সিগারেট ছড়িয়ে পড়বে বানের জলের মতো।
এছাড়া কম দামি এসব সিগারেট খেয়ে যুব সমাজ নেশার প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। সেই সাথে সাধারণ মানুষ পড়ছে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন,অবৈধ সিগারেট বিক্রি মারাত্মক অপরাধ। অবিলম্বে তদন্ত করে নকল সিগারেট কোম্পানি ও ডিলারদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page