
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা মহানগর উত্তরকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন কর্মীবান্ধব, সাহসী ও কর্মঠ নেতা হিসেবে পরিচিত এই যুবনেতা আজ নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রেও প্রশংসিত।
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে দল একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী সংগঠক হিসেবে মূল্যায়ন করে। জাতীয় নির্বাচনে তিনি অল্প সময়ের প্রস্তুতিতে ঢাকা-১৫ আসনে প্রার্থী হয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হন। আলোচিত এ আসনে দেশজুড়ে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক আগ্রহ ছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যমতে, তিনি উল্লেখযোগ্য ভোটের ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেন বলে প্রচারিত হয়।
তবে রাজনৈতিক সাফল্যের গণ্ডিতে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি তিনি। কোনো সরকারি দায়িত্ব পাওয়ার আগেই "গ্রীন ঢাকা, ক্লিন ঢাকা" কর্মসূচি হাতে নিয়ে নিজেই বিভিন্ন খাল, সড়ক ও জনসমাগমস্থলে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদেরও অনুপ্রাণিত করে। দল-মত নির্বিশেষে অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেন।
পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তার উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হয়। সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং সবুজায়নের মাধ্যমে ঢাকা উত্তরকে একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপ দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছেন তিনি।
প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগেই নগরবাসী যাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সড়ক দেখতে পান, সে লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে। শুধু দিনের বেলায় নয়, রাতেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায় প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে। তার এই নিবেদিত নেতৃত্ব নগরবাসীর মধ্যে আস্থা ও প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, একজন প্রশাসকের দায়িত্ব কেবল দাপ্তরিক কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; জনগণের পাশে থেকে বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়। সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তার নেতৃত্বে "গ্রীন ঢাকা, ক্লিন ঢাকা" আজ শুধু একটি স্লোগান নয়, বরং রাজধানীর উন্নয়নের এক বাস্তব রূপকল্পে পরিণত হয়েছে।
দল-মত নির্বিশেষে অনেকেই মনে করছেন, পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তোলার যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ইতিবাচক ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page