নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ মাদক সিন্ডিকেটের বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু এবং যুবলীগ নেতা ইমাদুল। স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর দাবি, তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবেই উপজেলার একাধিক এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ও ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন, পার্শ্ববর্তী কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়ন এবং মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, এসব অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার নিরাপদ আশ্রয় পেয়ে আসছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন সংলগ্ন একটি মার্কেট ও স্টেশন এলাকার বস্তি থেকে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে সরবরাহ চেইনের মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে এসব মাদক নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, লক্ষীপুর-কেশবপুর সংলগ্ন মাঠ এবং প্রাগপুর-কেশবপুর এলাকার কিছু স্থান বর্তমানে মাদক বিক্রির অন্যতম স্পট হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে প্রাগপুর পুলিশ ক্যাম্পের নীরবতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, কার্যকর নজরদারির অভাবেই এলাকাগুলো ধীরে ধীরে মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে।
স্থানীয় সুধীজন ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ না হলে মাদক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
(উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগসমূহ স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণের সুযোগ পেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।)
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page