
নিজস্ব প্রতিনিধি :
ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে মোঃ রৌশন আহমেদ যোগদানের পর পাল্টে গেছে ক্যান্টনমেন্ট ভূমি অফিসের সার্বিক চিত্র। একসময় যে অফিসে দালাল ছাড়া ফাইল নড়ত না, সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হতো চরম ভোগান্তি—সেই অফিস এখন পুরোপুরি দালালমুক্ত।
স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মোঃ রৌশন আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছেন। নামজারি, খাজনা আদায়, মিস কেসসহ সকল সেবা এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সরকারি ফি দিয়েই সম্পন্ন হচ্ছে।
সেবাগ্রহীতারা যা বলছেন:
ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আগে ভূমি অফিসে গেলেই দালালরা ঘিরে ধরত। টাকা ছাড়া কোনো কাজ হতো না। এখন স্যার নিজে সব মনিটর করেন। সরাসরি তার কাছে গিয়ে কথা বলা যায়। কোনো ঘুষ-দুর্নীতি নেই।”
আরেক সেবাগ্রহীতা ফাতেমা বেগম জানান, “আমার নামজারির কাজটা মাত্র ১৫ দিনে হয়ে গেছে। এক টাকাও বাড়তি লাগেনি। এমন সেবা আগে কখনো পাইনি। এসি ল্যান্ড স্যার খুবই আন্তরিক।”
অফিসের পদক্ষেপসমূহ:
সরেজমিনে দেখা গেছে, অফিসে দালালদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেবার তথ্য সম্বলিত সিটিজেন চার্টার দৃশ্যমান স্থানে টানানো হয়েছে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এসি ল্যান্ড নিজে গণশুনানি করছেন এবং আবেদনকারীদের সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধান দিচ্ছেন। হেল্প ডেস্ক চালু করায় সেবাগ্রহীতারা সহজেই তথ্য পাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রৌশন আহমেদ বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। নাগরিকদের দোরগোড়ায় হয়রানিমুক্ত সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য। দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। কেউ কোনো অনিয়মের শিকার হলে সরাসরি আমার কাছে অভিযোগ করতে পারেন।”
এলাকাবাসী মনে করছেন, জনাব মোঃ রৌশন আহমেদের মতো সৎ, দক্ষ ও জনবান্ধব কর্মকর্তাদের কারণেই ভূমি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরছে। ক্যান্টনমেন্ট ভূমি অফিস এখন অন্য অফিসের জন্য একটি রোল মডেল।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page