
মোঃ তরিকুল ইসলাম খান
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, অননুমোদিত বসবাস এবং অবৈধভাবে কর্মসংস্থানের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনো দেশের নাগরিক যদি অন্য দেশে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান করেন বা চাকরি করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত আইন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালা অনুসরণ করে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত।
বিশ্লেষকদের ভাষ্য, অনেক সময় সীমান্তবর্তী এলাকায় অজ্ঞতা, দারিদ্র্য, দালালচক্রের প্ররোচনা বা অনিচ্ছাকৃত কারণে মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করে ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাগরিকত্ব, পরিচয় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করাই সবচেয়ে কার্যকর পথ।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করা প্রয়োজন। এতে ভুল বোঝাবুঝি, উত্তেজনা কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাতের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
এ ছাড়া সীমান্ত এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মানবপাচার ও অবৈধ পারাপারে জড়িত দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বৈধ ভ্রমণ ও কর্মসংস্থানের পথ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় আইন, মানবাধিকার এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে উভয় দেশের জন্যই নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা সহজ হবে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page