
নিজস্ব প্রতিনিধি :
২০২৬ সালের জুন মাসের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতির ওপর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ার ফলে এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় (অকটেন, পেট্রোল, কেরোসিন লিটার প্রতি ৫ টাকা বৃদ্ধি) বহুমুখী অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে।
সরকার যখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে, তখন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় এই যুক্তিতে যে উৎপাদন, সরবরাহ ও সেবাখাত সচল রাখতে খরচ বেড়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে যদি সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান ও শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকে, তাহলে প্রশ্ন জাগে-বর্ধিত মূল্যের বিনিময়ে জনগণ কী ধরনের অতিরিক্ত সেবা বা সুবিধা পাচ্ছে?
ব্যবসা-বাণিজ্যের সময় সীমিত করলে ক্ষতিগ্রস্ত হন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দোকান কর্মচারী এবং সাধারণ ক্রেতারা। যদি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই লক্ষ্য হয়, তাহলে তার জন্য আধুনিক ও কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, ব্যবসার স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা নয়।
জনগণের কাছ থেকে বেশি মূল্য নেওয়া হলে জনগণেরও যৌক্তিকভাবে প্রশ্ন করার অধিকার আছে-বিদ্যুৎ ও জ্বালানির বাড়তি খরচের সুফল কোথায়?
আপনার মতামত কি? আপনার সুচিন্তিত মতামত নিউজে অন্তর্ভূক্ত হবে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page