
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। বিগত সরকারের আমলে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রবাসীদের পরিবার সরকারি ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পেত। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে আয়কর সুবিধা ও কর রেয়াতের সুযোগও দেওয়া হতো বলে জানা যায়।
বর্তমান সময়েও বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ২.৫ শতাংশ সরকারি নগদ প্রণোদনা কার্যকর রয়েছে। অর্থাৎ বিদেশ থেকে ১ লাখ টাকা সমপরিমাণ অর্থ পাঠালে প্রাপক অতিরিক্ত ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রণোদনা পান। সরকার এখনও এই সুবিধা চালু রেখেছে এবং বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এই প্রণোদনা পরিশোধ করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরেও রেমিট্যান্স প্রণোদনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ ছাড়ের তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে অর্থনীতিবিদদের একটি অংশের দাবি, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা যথেষ্ট নয়। তারা প্রবাসীদের আরও উৎসাহিত করতে প্রণোদনা ৪ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
প্রবাসীদের অভিযোগ, অতীতে কিছু ব্যাংক সরকারি ২.৫ শতাংশের পাশাপাশি নিজেদের উদ্যোগে অতিরিক্ত সুবিধা বা ভালো বিনিময় হার দিত। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ ব্যাংক সেই অতিরিক্ত সুবিধা বন্ধ করেছে। ফলে প্রবাসীদের প্রাপ্ত মোট অর্থ কিছু ক্ষেত্রে আগের তুলনায় কম মনে হতে পারে, যদিও সরকারি ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা এখনও বহাল রয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে শুধু নগদ প্রণোদনা নয়, প্রবাসীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজ করা, বিনিয়োগ সুবিধা বৃদ্ধি এবং কর-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া আরও সহজ করার উদ্যোগ প্রয়োজন।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page