
শেখ মোহাম্মদ পারভেজ
পাবনা সুজানগর উপজেলা দুলাই গ্রামে, ঐতিহাসিক নিদর্শন হলো অতীত সভ্যতা সংস্কৃতি এবং ঐতিহাসিক ঘটনা প্রামাণ্য দলিল, এগুলো আমাদের পূর্বপুরুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতিক পরিচয় দেয়।
প্রায় ২৫০ শো বৎছর আগে নির্মিত জমিদার বাড়িটির ধ্বংসাবশেষ কালের সাক্ষী হিসাবে দ্ন্ডায়মান।
সুজানগর উপজেলা দুলাই গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে আদিম চৌধুরী জন্ম হয় দোলায় গ্রামে প্রায় ২৫০ বৎছর আগে এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন একজন মুসলিম। জমিদার
আজিম চৌধুরীর নামে জমিদার বাড়িটির নাম হলেও জমিদার বাড়িটির মূল গোড়াপত্তনকারী হচ্ছেন জমিদার আজিম চৌধুরীর পিতার রহিম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা

জমিদার বাড়িটি আজিম চৌধুরীর নামে হওয়ার কারণ হলো, তিনি যখনই জমিদার বাড়ির জমিদারি পান তখন ওই জমিদার বিস্তার লাভ করে ।
তিনি তার জমিদারির সময় ৩ টি নীলকুঠি স্থাপন করেন দোলাই গ্রামে। এই জমিদার বাড়িটি একটি দুই তলা বিশিষ্ট প্রাসাদ। এটিতে অনেক দরজা ও ১১ টি গেট রয়েছে। একটি আয়াতাকার বিশাল দিঘী তারা সম্পূর্ণ জমিদার বাড়িটি ঘেরা। জমিদার বাড়ির ভেতরে একটি পুকুর, একটি মসজিদ ও অন্দরমহলে একটি পুকুর রয়েছে।
জমিদার বাড়িটির নিরাপত্তা রক্ষার জন্য মূল ফটোকে দুটি হাতি ও কামান ছিল।
কথিত আছে ,জমিদারি আমলে বর্তমান পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা এই জমিদার ও বংশধরদের মত, আরো কটি জমিদার বংশ ছিল। হিন্দু জমিদার বিজয় গোবিন্দ চৌধুরী জমিদার বংশ।
হিন্দু জমিদার বিজয় গোবিন্দ চৌধুরী সাথে ওই মুসলিম জমিদার আজিম চৌধুরী বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল।
কালের পরিক্রমায় ও সময়ের আবর্তনে মানুষের অনেক কর্মযজ্ঞের স্মৃতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
কিন্তু শুধু নিশ্চিহ্ন হয় না, তার কর্মক্ষেত্রে ইতিহ্যমন্ডিত ইতিহাস, ইতিহাস তার নিজের গতিতেই চলে। ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। এমন কি ইতিহাস কথা ও বলে। ইতিহাসের অমোঘ সত্যকে চাপা রাখা যায় না
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page