
নিজস্ব প্রতিনিধি :
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতির সুযোগ রাখা হবে না। যাদের সর্বোচ্চ যোগ্যতা থাকবে তারাই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন।
তিনি বলেন, বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের শিক্ষার সর্বোচ্চ স্থানে নিয়ে যেতে হবে। এজন্য সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
আজ ঠাকুরগাঁও শহরের তাঁতিপাড়া কালিবাড়ী বড় মাঠের পশ্চিম পাশের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। সেই দাবির প্রেক্ষিতেই দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে উপাচার্য নিয়োগও সম্পন্ন হয়েছে।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব এটা হবে না যে, বছর বছর শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি করা বরং এমনভাবে এখানে অনুষদ, ডিপার্টমেন্টগুলো নির্ধারণ করতে হবে, যাতে দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা বাস্তব কাজে দক্ষতা অর্জন করে নিজের ও দেশের উন্নতি নিশ্চিত করতে পারে।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.ইস্রাফীল শাহীন তার স্বাগত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও এলজিআরডি মন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সরকারের উচ্চশিক্ষা বিস্তারের যে মহৎ উদ্যোগ, তারই একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন আজকের এই আয়োজন।
তিনি বলেন, সুদীর্ঘ কাল ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত এই জনপদে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটতে চলেছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
সূত্র : বাসস...
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page