
সাইমন :
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি বহুতল ভবনে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। নিহত রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী ছিল।এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত পাশের ফ্ল্যাটের সাবলেট ভাড়াটিয়া ও রিকশা মেকানিক সোহেল রানাকে (মাদকাসক্ত) প্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে ঘটনাস্থল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আটক করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল রামিসা। ধারণা করা হচ্ছে, স্কুল শেষে বা ফ্ল্যাটের ফাঁকা জায়গা থেকে তাকে টেনে নিজের ঘরে নিয়ে যায় সোহেল। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাট করতে বাথরুমে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে তার দেহ খাটের নিচে এবং বিচ্ছিন্ন মাথা বাথরুমের একটি রঙের বালতিতে লুকিয়ে রেখে শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় ঘাতক।মেয়ের এই বীভৎস দশা দেখে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ঘরের পাশের প্রতিবেশীর এমন হিংস্র ও বিকৃত রূপ পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘাতক সোহেল রানার দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page