
নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, সময়মতো টিকা ক্রয় এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, টিকাদান কর্মসূচি শুধু একটি স্বাস্থ্যসেবা নয়, এটি জাতির ভবিষ্যৎ সুরক্ষার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশু ও মায়েদের সুরক্ষায় নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম চালু রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন। ফলে টিকার ঘাটতি তৈরি হলে হাম, পোলিও, ডিপথেরিয়া কিংবা নিউমোনিয়ার মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগ পুনরায় বিস্তার লাভের আশঙ্কা থাকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা ও সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে টিকার মজুত, পরিবহন এবং মাঠপর্যায়ে সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রমও জোরদার করার সুপারিশ করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা মনে করেন, একটি দেশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে তার টিকাদান কর্মসূচির সফলতার ওপর। করোনাকালীন অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, সময়োপযোগী টিকা সংগ্রহ ও দ্রুত বিতরণ মানুষের জীবন রক্ষায় বড় ভূমিকা পালন করেছে। তাই ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন।
এদিকে অভিভাবকদের প্রতি শিশুদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, “টিকা শুধু একজন শিশুকে নয়, পুরো সমাজকে সুরক্ষা দেয়। তাই নিরবচ্ছিন্ন টিকা কার্যক্রম বজায় রাখতে সরকার ও জনগণের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন।”
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকার পর্যাপ্ত মজুত, স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া এবং সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে দেশের স্বাস্থ্যখাত আরও শক্তিশালী হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে নিরাপদ জীবন।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page