
আরিয়ান ইসলাম হৃদয় :
ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের শনির আখড়া এবং রায়েরবাগ এলাকায় ফুটপাত দখলের পুরনো সমস্যাটি এখন নতুন রূপ নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও, স্থায়ীভাবে ফুটপাত দখলমুক্ত করা যাচ্ছে না। অভিযানের পরপরই আগের মতো পসরা নিয়ে বসছেন বিক্রেতারা, আর এর পেছনে সক্রিয় রয়েছে একটি শক্তিশালী চাঁদাবাজ চক্র।
উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল: নেপথ্যে প্রভাবশালী হাত
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উচ্ছেদের নামে যেন 'পুলিশ-হকার খেলা' চলছে। প্রশাসন উচ্ছেদ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হকাররা আবার ফুটপাতে ফিরে আসেন। ফুটপাত স্থায়ীভাবে দখল করে রাখার পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদ রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের সাথে সাথে এই অবৈধ চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণও হাতবদল হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অবৈধ চাঁদার টাকা কার পকেটে যাচ্ছে তা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা কানাঘুষা। স্থানীয় পর্যায়ে কেউ কেউ বিএনপি বা জামায়াতের ছত্রচ্ছায়ায় এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করার প্রসঙ্গও তুলছেন।
'লাইনম্যান' ও চাঁদাবাজির অর্থনীতি
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হকারদের কাছ থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করে একটি চক্র। 'লাইনম্যান' হিসেবে পরিচিত কিছু ব্যক্তি এই টাকা সংগ্রহ করে এবং এই অর্থের একটি বড় অংশ যায় স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা বা চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের পকেটে। এর ফলে বারবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেও ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা সম্ভব হচ্ছে না।
সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি
ফুটপাত স্থায়ীভাবে হকারদের দখলে থাকায় সাধারণ পথচারীরা বাধ্য হয়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন। পথচারী ও যানবাহনের চাপে শনির আখড়া ও রায়েরবাগ এলাকায় প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ব্যস্ততম এই এলাকায় ফুটপাত না পেয়ে রাস্তায় হাঁটার কারণে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, যা পথচারীদের নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
এলাকাবাসীর দাবি, কেবল সাময়িক উচ্ছেদ অভিযান দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান আ
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page