
সৌভিক পোদ্দার, ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামে সেলিনা বেগম (৫০) একটি এনজিও থেকে ৬ (ছয়) লহ্ম টাকা লোন নেয়।
সেলিনা বেগম চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগরের এক টি ব্যাংক থেকে থেকে ৬ (ছয়) লহ্ম টাকা উত্তোলন উত্তোলন করে সেলিনা বেগম তার ভাস্তে লিটনের সাথে মোটরসাইকেল করে ফিরতে ছিলেন।
বিকেলের দিকে ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলার মথুরানগর গ্রামের দত্তনগর -জলিলপুর সড়কে পৌঁছলে ২ (দুই) জন ছিনতাইকারী মোটরসাইকেলে করে এসে সেলিনা বেগমের হাত থেকে টাকা সহ ব্যাগ টি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ছিনতাইয়ের খবর পেয়ে মহেশপুর থানার পুলিশ ছিনতাইকারীদের আটক ও টাকা উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি ইয়ামাহা ফেজার মোটরসাইকেল শনাক্ত করে। ওই মোটরসাইকেলের সূত্র ধরে জলিলপুর গ্রামের আয়ুব হোসেনের ছেলে আমিনুর রহমান খানকে (২৪) হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেন এবং ছিনতাইকৃত টাকা তার বাড়িতে আছে বলে পুলিশকে জানান। তিনি আরও জানান, সেলিনা বেগমের সাথে থাকা তার ভাতিজা লিটনই এই ছিনতাইয়ের মূল পরিকল্পনাকরী। লিটন শেখ (৪০), মো. আমিনুর রহমান খান (২৪), মো. মোস্তফা জামান ওরফে বরকত বিশ্বাস (৪৭) এবং মো. শাওন বদ্দি (২৩) মিলে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুয়ায়ী ঘটনার পূর্বে আমিনুর ও শাওন মোটরসাইকেল নিয়ে লিটন ও তার ফুফুকে ফলো করতে থাকে। ঘটনাস্থলে লিটন তার মোটরসাইকেলের গতি কমিয়ে দিলে আমিনুরের মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা শাওন সেলিনা বেগমের হাত থেকে টাকার ব্যাগটি টান দিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
রাত ৮(আট) টার দিকে পুলিশ আমিনুরকে নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে ছিনতাইয়ের ৬ (ছয়) লাখ টাকা উদ্ধার করে। এরপর লিটন ও বরকতকে পৃথক স্থান থেকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় জড়িমহেশপুরের কাজীপাড়া গ্রামের আইনাল বদ্দির ছেলে শাওন বদ্দি (২৩) এখনো পলাতক। পুলিশ তাকেও আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page