নিজস্ব প্রতিনিধি :
দেশের নদ-নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি ও নৌপথ সচল রাখতে সরকার বর্তমানে ব্যাপক ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি আজ সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে জানান, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সারাদেশের নৌপথগুলো সংরক্ষণ ও খননের মাধ্যমে সচল রাখছে। পাশাপাশি নতুন নৌপথ উন্নয়ন ও পুনঃসৃষ্টির লক্ষ্যে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তুলাই ও পূনভবা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৪৫.৯৮ শতাংশ। মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম এলাকার বিভিন্ন নদীর নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অগ্রগতি ৮৮ শতাংশে পৌঁছেছে। মোংলা বন্দর থেকে চাঁদপুর হয়ে গোয়ালন্দ ভায়া রূপপুর পর্যন্ত নৌপথ উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অগ্রগতি ৮৫.০১ শতাংশ। এছাড়া জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও নাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধার, নৌপথ উন্নয়ন ও বন্যা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের অগ্রগতি ৫.১০ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে নৌপথ উন্নয়নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প প্রস্তাবিত রয়েছে। চট্টগ্রাম-হাতিয়া-চেয়ারম্যানঘাট থেকে ভাসান চর পর্যন্ত নৌযোগাযোগ উন্নয়ন প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদনের জন্য ২০২৫ সালের ২১ জুলাই পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। কুমিল্লা ইকোনমিক জোন সংলগ্ন মেঘনা (আপার) নদীর রায়পাড়া থেকে ভাটের চর পর্যন্ত নাব্যতা উন্নয়ন প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদনের জন্য ২০২৬ সালের ১২ মার্চ পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটন, জলাভূমি ইকোসিস্টেম, সেচ ও ল্যান্ডিং সুবিধা উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত প্রকল্পের জন্য সরকারি অর্থায়নের বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি চেয়ে ২০২৬ সালের ৬ এপ্রিল পত্র পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি, নৌপথ সম্প্রসারণ, বন্যা ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি পর্যটন, সেচব্যবস্থা ও জলাভূমির পরিবেশ সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সূত্র : বাসস...
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page