সৌভিক পোদ্দার, ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৫৬ নং বাকড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ্য প্রহরি কাম দপ্তরির বিরুদ্ধে স্কুলে না গিয়েও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন মামলার আসামি হওয়াই প্রায় ২ (দুই) মাস আত্মগোপনে থাকার পরেও বহাল তবিয়তে রয়েছে এই কর্মচারী।
জানাগেছে, ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টিতে নৈশ্য প্রহরি কাম দপ্তরি পদে নিয়োগ পায় সাইফুল ইসলাম। বিদ্যালয়ে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। কিন্তু হরিশংকরপুর ইউনিয়র পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের দাপটে সাইফুল ইসলাম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বেতন-ভাতা ভোগ করে গেছেন। ২০২৪ সালের ৫ (পাঁচ) আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি মামলার আসামি হয়েছেন সাইফুল ইসলাম। সেই মামলার কারণে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে না গিয়েও হাজিরা খাতায় প্রভাব খাটিয়ে স্বাক্ষর করে নিয়েছেন। এই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বিদ্যালয়টিতে যেয়ে সাইফুল ইসলামের দেখা পাওয়া যায়নি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুব্রত ভৌমিক বলেন, বেশ কিছুদিন সাইফুল ইসলাম বিদ্যালয়ে আসেন না। স্কুলে না আসার বিষয়ে সাইফুল ইসলামকে কোন কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসকে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন। কিন্তু কোন আনুষ্ঠানেক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্কুলে না আসার কারণ জানতে সাইফুল ইসলামে মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page