
মাসুম বিল্লাহ-খুলনা :
খুলনার রাজনীতিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সঠিক মূল্যায়ন পেলেন রাজপথের লড়াকু জননেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক হিসেবে তাঁর নিয়োগকে কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘ধৈর্য এবং আদর্শের অবিচল জয়’ হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীরা।
এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ বলেন,"নজরুল ইসলাম মঞ্জু ভাই প্রমাণ করেছেন রাজপথের লড়াকু সৈনিকদের কখনো দমানো যায় না। এই দায়িত্ব খুলনার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে তিনি যেভাবে ফিরে এসেছেন, তা আগামী প্রজন্মের ছাত্রনেতা ও কর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।"
মুরাদ ভাইজান উল্লেখ করেন যে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণেই তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য স্থানে বসানোর মাধ্যমে খুলনার উন্নয়নে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
তিলোত্তমা নগরীর স্বপ্ন: আসাদুজ্জামান মুরাদ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন যে, নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে খুলনা একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য ‘তিলোত্তমা নগরী’ হিসেবে গড়ে উঠবে। তাঁর মতে, মঞ্জু কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং নগরীর প্রতিটি গলি এবং মানুষের সাথে তাঁর আত্মার সম্পর্ক।
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন"— এই পবিত্র বাণীর স্বার্থকতা নজরুল ইসলাম মঞ্জুর রাজনৈতিক জীবনে প্রতিফলিত হয়েছে। দীর্ঘ ত্যাগ ও রাজপথের লড়াইয়ের পর এই প্রাপ্তি খুলনার সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার প্রদীপ জ্বেলেছে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page