
মোঃ সুজা মিয়া-গাইবান্ধা :
রাজনীতিতে অনেকেই আসেন পদ-পদবীর মোহে, আবার কেউ কেউ থেকে যান মানুষের হৃদয়ে। পলাশবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ঠিক জায়গা করে নিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে সেই নেতা—যিনি ক্ষমতার রাজনীতির চেয়ে মানবিক রাজনীতি, মানুষের রাজনীতিকে বেছে নিয়েছেন।
পলাশবাড়ীর অলিগলি, হাট-বাজার আর শ্রমজীবী মানুষের ভিড়ে তাঁর বেড়ে ওঠা। সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে যাতায়াত, সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসাই তাঁকে আলাদা করেছে অন্যদের থেকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় বহুবার নির্যাতন, চাপ ও হয়রানির মুখোমুখি হয়েও তিনি পিছু হটেননি; বরং আরও শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছেন মানুষের পাশে।
দলীয় সূত্র জানায়, আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি কঠিন সময়ে তিনি ছিলেন তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভরসাস্থল। থানার সামনে দাঁড়িয়ে আটক কর্মীর খোঁজ নেওয়া থেকে শুরু করে অসুস্থ কর্মীর পরিবারের পাশে থাকা—এই নীরব কাজগুলোই তাঁকে করে তুলেছে তৃণমূলের নয়নের মনি।
স্থানীয়রা বলেন, আবুল কালাম আজাদ কখনো নেতা হয়ে দূরে থাকেননি থেকেছেন একজন আপনজন হয়ে। তাঁর দরজায় গেলে কেউ খালি হাতে ফেরেনি—কখনো সান্ত্বনা, কখনো সাহস, আবার কখনো প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা নিয়ে। এই মানবিক আচরণই তাঁকে সাধারণ মানুষের মনের গভীরে জায়গা করে দিয়েছে।
সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-কে শুভেচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন—জাতীয় নেতৃত্বের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা যেমন গভীর, তেমনি তৃণমূলের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতাও অটুট।
পলাশবাড়ীর রাজনীতিতে তাই আজ একটি কথাই শোনা যায়— আবুল কালাম আজাদ কোনো হঠাৎ তৈরি হওয়া নেতা নন তিনি সৃষ্টি হয়েছেন মানুষের ভালোবাসা, ত্যাগের রাজনীতি আর নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। এই ভালবাসা সংগ্রামের ফলে তিনি এস এম হাই স্কুলের তিন তিনবার নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। সাধারণ মানুষের নেতা থেকে তৃণমূলের নয়নের মনি—এই পথচলা কোনো গল্প নয়, পলাশবাড়ীর বাস্তবতা শুভ কামনা রইল আগামীর জন্য।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page