তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিএনপি নেতারা গণভোটের পক্ষে কোনো প্রচার এখনো শুরু করেনি। এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী রাফসান জনি বলেন, আমাদের দল থেকে মোট ২৭০ জন অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ করা হয়েছে গণভোটের পক্ষে প্রচার করার জন্য। দুয়েক দিনের মধ্যে তাদের একটি টিম চট্টগ্রামে আসবে। আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। তবে চট্টগ্রাম-৮ আসনে যেহেতু আমাদের প্রার্থী আছে, তাই আমরা এখানে প্রতিনিয়ত মানুষকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে উৎসাহিত করছি।

জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী শাখার সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমিন বলেন, আমরা প্রচার সপ্তাহ ঘোষণা করেছি। ঘরে ঘরে আমাদের নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করছে। এছাড়া হাটে-বাজারে আমরা প্রতিদিন ক্যাম্পেইন করছি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানান, সরকার গণভোটের প্রচার নিয়ে যা করছে তা তামাশা। গণভোটের অনেকগুলো জায়গায় নোট অব ডিসেন্ট আছে। সরকার ‘হ্যাঁ’ কেন দিতে হবে সেটি বলছে, কিন্তু ‘না’-এর বিপরীতে কী আছে সেটি বলছে না। তারা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিতে বলতে পারে না। শুধু গণভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে পারে। তাই আমরা গণভোট নয়, আমাদের মূল নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আছি।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, জেলার প্রত্যেক উপজেলায় তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে গণভোট নিয়ে তৈরি করা ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়া উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করছি। সরকারি কর্মকর্তারা ঘরে ঘরে যাচ্ছেন। ভোটের প্রচারের আগ পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে।