
নিজস্ব প্রতিনিধি :
ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা–১৫ আসনে এনআইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুল ইসলাম এবং বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
অভিযোগে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারী–পুরুষ ভোটারদের এনআইডি কার্ডের তথ্য ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছেন। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী এভাবে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ আইনসম্মত নয় এবং এনআইডি কার্ড সংগ্রহ দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবেও গণ্য হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
আজ মধ্য পীরেরবাগ এলাকার একটি ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীরা এনআইডি কার্ড সংগ্রহের সময় জামায়াতের কয়েকজন কর্মীকে আটক করেন। পরে তারা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান। তবে কেন এবং কী উদ্দেশ্যে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল—সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ভোটারদের মোবাইল নম্বর ও এনআইডি তথ্য সংগ্রহ করে আর্থিক প্রলোভনের মাধ্যমে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য হুমকি এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে ঢাকা–১৫ আসনের বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, “জামায়াতে ইসলাম নিয়মিতভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। বিষয়টি একাধিকবার নির্বাচন কমিশনকে জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও উদ্বেগ বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, নির্বাচন কমিশন দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা সম্পাদকঃ ইঞ্জিঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৫You cannot copy content of this page