
মোঃ ওয়াহেদ আলী :
লালমনিরহাটে ঘনকুয়াশা ও হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন। গত কয়েকদিন ধরে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে।
মাঘ আসার পূর্বেই কনকনে শীতের চাদরে ঢেকে গেছে সারাদেশ।
প্রকৃতির নিয়মেই কুয়াশার জাল ও হিমেল হাওয়ার তোড়ে থমকে গেছে চঞ্চল জনপদ।
অনেক জায়গায় দেখা মিলছে না সূর্যের। আবার সূর্যোদয় হলেও উত্তাপ বিলীন, মাঠ-ঘাট ছাপিয়ে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা জানান দিচ্ছে এখন সময় শীতের। প্রকৃতির এই রুদ্র শীতলতায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন উত্তরের জেলা দিনাজপুরের মানুষ। এই শীতেও পেটের তাগিদে ভোরেই কাজে বের হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষ।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে লালমনিরহাটে ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ।
তিস্তা ও ধরলা নদী বেষ্টিত এ জেলার চরাঞ্চলের লোকজন শীতে কাবু হয়ে পড়েছেন। কাজে বের হতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষিজীবী ও শ্রমজীবীরা। কনকনে ঠান্ডা ও হিমেল হাওয়ায় বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষজন পড়েছে চরম বিপাকে।
জানা গেছে, শীতের প্রভাবে হাসপাতালগুলোয় ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কুয়াশার কারণে দিনে ও রাতে সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দেশজুড়ে শীতের এই তীব্র রূপ দেখা গেছে, যেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে।
কুয়াশার ঘনত্বের কারণে নৌপথ ও সড়কপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে দেখা গেছে চালকদের। নানা শীতজনিত রোগে ভুগছেন বৃদ্ধ ও শিশুরা।
আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস বলছে, সামনের কয়েকটা দিন প্রকৃতির এই লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। শীতের দাপট বছরের শেষে আরও তীব্র হতে পারে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা সম্পাদকঃ ইঞ্জিঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৫You cannot copy content of this page