প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৩, ২০২৬, ৫:২৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ৪:০২ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকতা সমাজ গড়ার কারিগর, না ব্যক্তিস্বার্থের পাহারাদার : সুমন খান

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাংবাদিকতা পেশাটি আদর্শগতভাবে সমাজের দর্পণ ও বিবেক হিসেবে পরিচিত। একজন সাংবাদিক আরেকজন সাংবাদিককে এগিয়ে নিতে, পূর্ণতা দিতে কিংবা সত্যের পথে শক্তি জোগাতে চেষ্টা করলে সেটি হওয়া উচিত পেশাগত সৌন্দর্যের উদাহরণ। কিন্তু বাস্তবতায় আমরা প্রায়ই ভিন্ন চিত্র দেখি।
কেউ কেউ সহকর্মীকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার জন্য পয়তারা করে, আবার কেউ নিজের আরাম-রাজ্য কায়েম করতে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে নীতির সঙ্গে আপস করে,প্রশ্ন,আসে এরা কি সত্যিই সমাজ গড়ার কারিগর?নাকি এরা কেবল ক্ষমতা,অর্থও সুবিধার,চারপাশে,নিজের,জন্য নিরাপদ বলয় তৈরি করতে ব্যস্ত?সাংবাদিক যদি সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাহলে তিনি সমাজকে,আলোকিত করেন,একটি মোমবাতির মতো, যা নিজে পুড়ে অন্যকে আলো দেয়।
কিন্তু যখন সেই মোমবাতিই নিভিয়ে দিয়ে বলা হয় “আমিই পথ দেখাচ্ছি”, তখন তা আলো নয়, বরং অন্ধকারকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়। আলোহীন পথে পথ দেখানোর দাবি আসলে এক ধরনের ভণ্ডামি।আজকের বাস্তবতায়,কিছু,সাংবাদিক,সত্যউচ্চারণের বদলে সুবিধাবাদকে বেছে নিচ্ছেন। তারা সমাজ বদলের কারিগর হওয়ার বদলে,হয়ে উঠছেন ক্ষমতাধরদের মুখপাত্র।
এতে শুধু সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, সমাজও দিকভ্রান্ত হয়।তবু আশা শেষ হয়ে যায় না। এখনও এমন সাংবাদিক আছেন, যারা ঝুঁকি নিয়েও সত্য বলেন, চাপের কাছে মাথা নত করেন না। তারাই প্রকৃত অর্থে মোমবাতি যারা আলো জ্বালিয়ে পথ দেখান, নিভিয়ে নয়।
সাংবাদিকতা যদি পেশা হয়, তবে সত্য তার প্রাণ। আর সত্যকে বাদ দিলে সাংবাদিক কেবল নামেই সাংবাদিক, দায়িত্বে নয়।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬