মোঃ ওয়াহেদ আলী
লালমনিরহাট জেলা।
লালমনিরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এই হাসপাতালে ৪১ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে কর্মরত মাত্র ১৯ জন।
ফলে প্রতিদিনই চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হচ্ছেন জেলার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল থেকে আগত দরিদ্র ও অসহায় রোগীরা।
দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকট থাকলেও প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ এ নিয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। এমন অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
জনবল স্বল্পতার কারণে একটি ওয়ার্ডে ৫০-৬০ জন রোগীর দায়িত্ব পড়ে মাত্র ১ জন চিকিৎসকের ওপর। এতে চিকিৎসার মান যেমন নিচে নেমে যাচ্ছে, তেমনি বেড়ে যাচ্ছে রোগীদের দুর্ভোগ।
সচেতন মহলের মতে, “তিস্তা বাঁচাও” আন্দোলনের মতোই এবার “হাসপাতাল বাঁচাও, চিকিৎসা বাঁচাও” আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে।
কারণ, স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার, এই অধিকার থেকে লালমনিরহাটবাসী দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত।
সাধারণ মানুষ বলছেন, তিস্তা যেমন এ অঞ্চলের প্রাণ, ঠিক তেমনি একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি হাসপাতাল এ জেলার মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম আশ্রয়স্থল।
তাই দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ ও হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন না হলে গণআন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page