
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্তের প্রক্রিয়ায় শেষ ধাপে রয়েছে। দলটি ইতিমধ্যে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে, যারা এখন বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে কাজ শুরু করেছেন।
বাকি ৬৩টি আসন নিয়ে চলছে জোট ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় প্রক্রিয়া। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি জোটের অংশ হিসেবে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা চূড়ান্তের পথে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে—
জামায়াতে ইসলামীকে এককভাবে ৩০ থেকে ৩৫টি আসন ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এনসিপি দলটি দাবি করেছে ২০টি আসনের, তবে বিএনপি তাদের ১০ থেকে ১২টি আসন দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপি যেসব আসনে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তা মূলত একটি কৌশলগত পদক্ষেপ ছিল। এর মাধ্যমে হাইকমান্ড এলাকাভিত্তিক জনমত ও প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করছে।
এদিকে কিছু আসনে অভিযোগ উঠেছে যা নিয়ে পুনর্মূল্যায়ন চলছে। অভিযোগ পাওয়া আসনগুলোর মধ্যে রয়েছে:
👉 মাদারীপুর-১ ও ৩, ময়মনসিংহ-৮, চট্টগ্রামের ২টি আসন, ভোলায় ১টি, গাজীপুরের ২টি, টাঙ্গাইলের ১টি, কুষ্টিয়ার ২টি, বরিশালের ১টি ও ঢাকার ১টি আসন সহ আরো কিছু আসন।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব আসনে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ করে ঢাকা-১৮ আসন নিয়ে আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানা গেছে।
দলীয় সূত্র আরও জানায়, যারা পূর্বে মহানগর ও জেলা পর্যায়ে নেতৃত্বে থেকে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, তাদের নতুনভাবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি হাইকমান্ড গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন—
“এলাকাভিত্তিক গ্রহণযোগ্য, সৎ ও নিষ্ঠাবান নেতাদেরই চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া হবে।”
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page