
উত্তরের সীমান্তবর্তী সংসদীয় আসন লালমনিরহাট-৩ (সদর)। আসনটি ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। নির্বাচনের খবর শুনে খুশি ভোটাররা। ভোটের আমেজ জমজমাট। বিএনপি’র একক প্রার্থী সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। ফ্যাসিস্টের সময় ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি ভোটাররা। এবার সংসদ নির্বাচনে ভোট দিবেন বলে আশা ভোটারদের। সদর আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩ হাজার ৯১৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫১ হাজার ৭০৮ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ২০৮ জন। এ আসনে পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটার ৫০০ বেশি।
বিএনপিতে শক্তিশালী একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছে দলের রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। বিএনপি’র রাজনীতিতে এ আসনের চিত্র একেবারেই ভিন্ন।
যুবদল, ছাত্রদলসহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আসাদুল হাবিব দুলুর কমান্ডে চলছেন। শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়ে চলছে বিএনপি। দলীয় নেতাকর্মীরা সুশৃঙ্খল, এমনকি সাধারণ ভোটাররাও ভরসা পাচ্ছেন আসাদুল হাবিব দুলু’র ওপর। ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ বছর জুলুম-নির্যাতনের পরোয়া না করেই বিএনপিকে সংগঠিত করে রেখেছেন তিনি।
তথ্য বলছে, ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করে চারদলীয় জোট সরকারে ছিলেন উপমন্ত্রী দুুলু। উপমন্ত্রী হয়ে তিনি লালমনিরহাটের যে উন্নয়ন করেছিলেন, ৩০ বছরেও তার সেই অবদান ভুলেনি মানুষ। সাধারণ ভোটারদের মতে, লালমনিরহাট জেলার রূপকার বা আইকন অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। লালমনিরহাটের যুবসমাজ তাকে উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান মনে করে। আসাদুল হাবিব দুলুর পিতা ছিলেন শহীদ আবুল কাশেম। তিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক। বড়বাড়ীতে তিনি অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আমি সারা জীবন রাজনীতি করেছি। সুখে-দুঃখে ছিলাম ভোটারের পাশে। তাই ভোটাররা আমাকে ভালোবাসে। নির্বাচনে জয়ী হয়ে উপমন্ত্রী ছিলাম। ওই সময়ে আমার উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করবো।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা সম্পাদকঃ ইঞ্জিঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৫You cannot copy content of this page