
মো: রুহুল আমিন রাসেল :
লালমনিরহাট জেলার আদিতমারি উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের জামুরটারী এলাকায় গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।
২৯ (আগস্ট) বুধবার আনুমানিক দুপুর ১২ ঘটিকার সময় এই ঘটনাটি ঘটে।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, এই দূর-ঘটনার স্বীকার মোছাঃ রুমা বেগম(৩৩) মোঃ দুলাল মিয়ার স্ত্রী। মোঃদুলাল মিয়া (৩৩) ঐ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দার রিয়াজুল ইসলামের পুত্র। দুলাল মিয়া পেশায় একজন অটো চালক।মোছাঃ রুমা বেগম ও দুলাল মিয়ার দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সকাল হলেই সন্তানেরা চলে যায় স্কুলের উদ্দেশ্যে আর প্রতিদিনের ন্যায় দুলাল মিয়া অটো নিয়ে বের হয় জীবিকা নির্বাহের তাগিদে।এরই সুযোগ নেন।
মোঃমিজানুর রহমান মিজান (৫৫) পিতাঃ মোঃ গোলজার হোসেন (৭০) একই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা।
মিজানুর রহমান এর গুডাউন ঘর রয়েছে দুলাল মিয়ার বসত বাড়ির সাথে মিজানুর তারগোডাউন ঘরে এসে কু-দৃষ্টিতে তাকায় মোছাঃ রুমা বেগমের দিকে রুমা বেগমও তার বড় মেয়ের গোসলে গেলে প্রায় সময় ওই গোডাউনের ফুঁটা দিয়ে তাদের গোসল করা দেখত মিজানুর রহমান এই বিষয়টি রুমা বেগমের নজরে এলে মিজানুর রহমানের মাকে ডেকে এনে এই বিষয়টি তাকে অবগত করেন রুমা বেগম। পরে মিজানুর রহমানের মা মিজানুরকে গালিগালাজ করেন মিজানুরের মাকে ঘটনাটি জানানোর কারণে মিজানুর রহমান রুমা বেগমের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তার ক্ষতি করার জন্য। কিছুদিন ধরে মিজানুর রহমান রুমা বেগমকে কু-পস্তাব দিয়ে আসছিল আত্মসম্মানের জন্য বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেনি রুমা বেগম তারই সুযোগ নিয়ে আজ দুপুরে যখন রুমা বেগমের স্বামী বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সেই সময় ফাঁকা বাড়ি পেয়ে সুযোগ নিয়ে বসত বাড়ির শয়ন ঘড়ে প্রবেশ করে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে ধস্তা-ধস্তি শুরু করে ও শরীরের স্পর্শ-কাতর স্থানে হাত বুলাতে শুরু করে মিজানুর রহমান। এক পর্যায়ে কৌশলে বিছানায় শুয়ে দেয় ও তার পরনে থাকা পাজামা টেনে খুলে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালাতে থাকে।
ঠিক সেই সময় রুমা বেগমের স্বামী দুলাল মিয়া বাড়িতে ফেলে যাওয়ার টাকা নেওয়ার জন্য ফিরে আসেন এবং তাদেরকে আপত্তিকর অবস্থায় ধস্তাধস্তি করতে দেখে তারপর দুলাল মিয়া চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। হৈ-চৈ শুনে কয়েকজন প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন তাদের সহযোগিতায় মিজানুর রহমানকে আটকাতে সক্ষম হয় দুলাল মিয়া এই ঘটনা শুনে উত্তেজিত জনতা মিজানুর রহমানকে চর থাপ্পর কিল-ঘুষি মারেন পরে স্থানীয়রা থানায় ফোন দিয়ে মিজানুর রহমানকে পুলিশি হেফাজতে দিয়ে দেন।
পরে রুমা বেগম আদিতমারি থানার দ্বারস্ত হয়ে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি এজাহার দায়ের করেন।
এ বিষয়ে আদিতমারি থানার অফিসার ইনচার্জ, মোহাম্মদ আলী আকবর জানায়, বিষয়টি আমরা আমলে নিয়েছি এবং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আমাদের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page