
আকতারুজ্জামান-তানোর, রাজশাহী :
রাজশাহীর তানোর উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ মনজুর রহমান বাড়ি থেকে মো: মুর্শিদ ও মো:তাবির বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির করুণ অবস্থা যেন এক স্থায়ী দুর্ভোগের নাম। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি হাঁটুসমান কাদায় পরিণত হয়। চলাচল তো দূরের কথা, অনেক সময় পথচারীরা এই কাদার মধ্যে পড়ে গিয়ে আহতও হচ্ছেন। বিশেষ করে সিন্দুকাই গ্রামের অন্তত ১৫০০ শ মানুষ প্রতিদিন এই ভোগান্তি পোহাতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃষক, দিনমজুর, শিক্ষার্থী, নারী ও শিশু—সবাইকে এই সড়ক ব্যবহার করতে হয় নিত্যদিন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও রাস্তাটি পাকা হয়নি।
বর্ষা মৌসুমে একমাত্র মোষের গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন সচল রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা মো: ফজলুর রহমান জানান সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, কিন্তু আমরা এখনও কাদার সঙ্গে যুদ্ধ করি। মায়ের ও বোনেরা রাস্তায় পড়ে গিয়ে আঘাত পান। কৃষিপণ্য নিয়ে বের হলে মাঝপথেই সব নষ্ট হয়ে যায়।” একই ক্ষোভ জানান এলাকার কৃষক ও দিনমজুরেরা। তারা বলেন, “ভোটের সময় আমাদের দরজায় দরজায় এসে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় উন্নয়নের, কিন্তু নির্বাচনের পরে কেউ আর খবর রাখেন না। আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে রেখে আমাদেরকে পিছিয়ে রাখা হচ্ছে একটি রাস্তার অভাবে।”
স্থানীয়রা জানান, পাশের সব রাস্তা পাকা হলেও শুধু সিন্দুকাই গ্রামের সড়কটি এখনো কাঁচা। ফলে রোগী, শিক্ষার্থী কিংবা পণ্য পরিবহন—সবক্ষেত্রেই মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সিন্দুকাই গ্রামের মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন জরুরী ভিত্তি তে রাস্তাটি হওয়া প্রয়োজন। তাদের দাবি, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে হলেও অবিলম্বে এই সড়কটি পাকা অথবা চলাচল যোগ্য করা হোক। যদি দ্রুত উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে আগামী দিনে এই অঞ্চলের জীবনমান আরও বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page