
বিসিএস, আমরা বলি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস, এটাকে নানান কারণে মনে করা হয় ক্যাডার। ক্যাডার শব্দটার সঙ্গে অনেকের একটা নেগেটিভিটি (নেতিবাচকতা) থাকে। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের যে অনেকগুলো সংস্কার প্রস্তাব দেবো এরমধ্যে একটা থাকবে যে, এ ক্যাডার শব্দটি বাদ দিয়ে যার যে সার্ভিস, সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন), সিভিল সার্ভিস (হেলথ), সিভিল সার্ভিস (এগ্রিকালচার)- এভাবে লেখা হবে। এটা একটা বড় সংস্কার আমি মনে করি, এতে অনেকের স্যাটিসফেকশন আসবে।’
সিনিয়র সচিব বলেন, আমরা ট্যুর করতে গিয়ে যে জিনিসটা দেখলাম, মানুষ মনের কথা বলতে চেয়েছে। কয়েকটা অফিস সম্পর্কে মানুষের একেবারেই নেগেটিভ ধারণা। এগুলো আপনারা জানেন, আমি জানি, উল্লেখ করতে চাই না। তারপরও দু-একটার কথা বলতে হয়। এসিল্যান্ড অফিস সম্পর্কে বাজে ধারণা, রেজিস্ট্রি অফিস সম্পর্কে খুবই বাজে ধারণা।
রেজিস্ট্রি অফিসের দুর্নীতি এমন লেভেলে যে কোনো অভিযোগ নেই। শেয়ারিংটা খুবই সায়েন্টিফিক। কারও কোনো অভিযোগ নেই। দিচ্ছে এবং নিচ্ছে। বরং বলে আগে স্যারের চেয়ে আপনি কম নিচ্ছেন।’ প্রেস ক্লাবের আয়োজনে সাংবাদিকদের ও এফবিসিসিআইয়ের আয়োজনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সঙ্গে একটি মতবিনিময় হবে বলেও জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আরও বলেন, ‘মানুষের হৃদয় এবং মস্তিষ্ক পরিবর্তন করতে হবে। এই দুই জায়গার সমন্বয়ে যদি পরিবর্তন হয়... আমি যদি নিজেকে বলি শুনতে আপনার খারাপ লাগবে, আমি একজন চেঞ্জ পারসন। আমার মাথা এবং মন দুই জায়গায় পরিবর্তন আছে।
ক্যাডার শব্দটি নেতিবাচক হওয়ায় সিভিল সার্ভিসে এই শব্দটি বাদ দিতে সংস্কার কমিশন সুপারিশ করবে। বিসিএসে বর্তমানে ২৬টি ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন ক্যাডার, পুলিশ ক্যাডার, শিক্ষা ক্যাডার, স্বাস্থ্য ক্যাডার—এভাবে বিভিন্ন ক্যাডারকে আলাদা করা রয়েছে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page