
মৃত্যুবার্ষিকীতে বিভিন্ন জেলায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে স্মরণ করা হয়েছে। গতকাল বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর সমাধিস্থলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিড় জমে।
এ ছাড়া বরিশাল নগরের অশ্বিনীকুমার হল চত্বরে গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজনে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র।
জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৭টায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দের নেতৃত্বে মওলানা ভাসানীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমসহ গণঅধিকার পরিষদ, ভাসানীর পরিবার, ভাসানী ফাউন্ডেশন, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, সালাম পিন্টু মুক্তি পরিষদ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিসহ (ন্যাপ) বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নেতারা ভাসানীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।
এদিকে টাঙ্গাইলের সন্তোষ এলাকায় মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বঙ্গবীর বলেন, ‘যে মানুষটির (মওলানা ভাসানী) জন্ম না হলে আমরা আজকে বাংলাদেশের নাগরিক হতাম না। যে মওলানা ভাসানীর জন্ম না হলে পাকিস্তান হতো না, পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশ হতো না। অথচ তাঁর অনাদর দেখে খুব কষ্ট লাগে, খুব খারাপ লাগে।’
মওলানা ভাসানী ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের সয়াধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মারা যান। মজলুম জননেতা হিসেবে সমাদৃত ব্রিটিশ-ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদকে টাঙ্গাইলের সন্তোষ এলাকায় তাঁকে সমাহিত করা হয়।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, জনগণের ভোটাধিকারকে অসম্মান করায় শেখ হাসিনার ন্যক্কারজনক পতন হয়েছে।
।। প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: শিহাব উদ্দিন ।। নির্বাহী সম্পাদক : জি.এস. জয় ।। বার্তা-সম্পাদকঃ আবু নাছের
দৈনিক জন জাগরণ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@২০২৬You cannot copy content of this page