
এলজিইডি গিলে খেয়েছে ফিরোজ আলম তালুকদার
পর্ব -০২
বিশেষ প্রতিনিধি
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদার ও তার সহযোগী ত্রিরত্নের অনিয়ম -দূর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পর পুরো এলজিইডিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হলে দূর্নীতিবাজ প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদার প্রতিবেদককে সংবাদ প্রকাশ না করতে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। ফলে প্রতিবেদক ও তার সহযোগী নিকটস্থ শেরেবাংলা নগর থানায় হাজির হয়ে সাধারণ ডায়েরি করে। জিডি নং ৭১৪/২৫
দূর্নীতি দমন কমিশনের তালিকা ভুক্ত দূর্নীতিবাজ প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদার ১/১১ এর পর সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহেদুর রহমান এর সময়ে কোর্টের রায় প্রাপ্ত প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ্যহতে ৩ হাজার ১ শত ৫ জনকে পদ বিশেষে ৮ লাখ থেকে ১২ লাখ হারে প্রায় সাড়ে ৩ শত কোটি টাকা লেনদেন হয়। সুত্র মতে দূর্নীতিবাজ প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদার ততকালীন প্রধান প্রকৌশলীর স্টাফ অফিসার হিসাবে দায়িত্বে থাকায় ঐ ঘুষের টাকা ফিরোজ আলম তালুকদারের মাধ্যমে উঠানো হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায় Anti-Corruption Commission / ACC ২০১৫ সালে প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদারকে প্রায় কোটি টাকার কর ফাঁকি সহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অপরাধে ১৫/১৬ এপ্রিল জিজ্ঞাসাবাদ করে। কিন্তু ততকালীন ক্ষমতাসীন ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদপুষ্ট হওয়ায় অধরাই থেকে যায়৷
তাছাড়া আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা নাসিমের নাতি এবং সালমান এফ রহমানের কথিত ছেলে ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সেক্রেটারি পরিচয়ে ক্ষমতা অপব্যবহার করে কর্মস্থলে নিয়োগ ও বদলী বানিজ্যের লিপ্ত ফিরোজ আলম তালুকদার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের মাধ্যমে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়।
জানা যায় তার নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জে তারই সহোদর ঠিকাদারির সুবাদে প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদারের ছত্রছায়ায় বিভিন্ন ঠিকাদারের কাছ থেকেও কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে এবং জেলা / উপজেলার এলজিইডি অফিস গুলো প্রায় জিম্মি করে রেখেছে।

